জুলাই অভ্যুত্থানকে যারা ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ বলছেন, তারা স্বাধীনতা দিবসকে ‘খাটো করতে চায়’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বুধবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রদের আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে তাড়িয়ে নতুন আস্বাদ পাওয়া গেছে। অনেকে এটাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে।
“আসলে আজকের স্বাধীনতা দিবস প্রমাণ করবে, দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে বাংলাদেশে কিছু নেই৷ যারা বলে তারা আজকের স্বাধীনতা দিবসকে খাটো করতে চায়, সুতরাং একাত্তরের স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকা ছিল না।”
মির্জা আব্বাস বলেন, “এই স্বাধীনতাকে যেন আমরা ধরে রাখতে পারি। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন এই স্বাধীনতা ধরে রাখতে পারে, সেজন্য পরম আল্লাহর কাছে আমরা দোয়া করব।”
তিনি বলছেন, স্বাধীনতার স্বাদ মাঝে ‘হারিয়ে গিয়েছিল’, যেটা নতুন করে ফিরে পেয়েছেন ৫ অগাস্টের পর।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে বিএনপির এই নেতা বলেন, দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে বর্তমানে দলগুলো আলাদা কথা বলছে। তবে প্রয়োজনের সময় বাংলার মানুষ ‘স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের স্বার্থে এক হয়ে যাবে’।
“অনৈক্য কিছু নাই, স্বার্থ সংঘাত আছে। প্রত্যেকটা দলে যার যার একটা মতাদর্শ আছে, যার যার মতাদর্শের জায়গা থেকে তারা কথা বলে যাচ্ছে। এটা অনৈক্য আমি বলব না।
“এমন সময় যদি কখনো আসে, জাতীর বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজন হবে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য ঐক্যের প্রয়োজন হবে, তখন কিন্তু আমরা সবাই এক হয়ে যাব। এখানে কোনো ভুল নেই।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস কয়েকদফা আভাস দিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ওপর বিএনপি আস্থা রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেন মির্জা আব্বাস।
এর মধ্যে নির্বাচন না হলে বিএনপি কী করবে–এমন প্রশ্নে তিনি বলেন; “সময় এলে দেখা যাবে তখন।”
খুলনা গেজেট/এনএম